Home
Contact
 
 
 
 
 
 
 
 
Home » Noble Footsteps » Swami Vivekananda » পানিহাটি ও বিবেকানন্দ » বেলুড়ের জমি সংগ্রহের পশ্চাৎপট
 
স্বামী বিবেকানন্দ ও পানিহাটি
 
 
  বেলুড়ের জমি সংগ্রহের পশ্চাৎপট  
     
  বোধ করি বেলুড়ের জমি সংগ্রহের পশ্চাৎপট এখানে উল্লেখ অপ্রাসঙ্গিক হবে না। বেলুড়ের জমির সন্ধান পওয়া গিয়েছিল ১৮৯৭ খ্রীষ্টাব্দের জুলাই এর প্রথম দিকেই। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থ মঠ-কর্তৃপক্ষের হাতে ছিল না। ১৩ জুলাই ১৮৯৭ তারিখে স্বামীজী আলমোড়া থেকে স্বামী ব্রহ্মানন্দকে লিখেছিলেন :‘কাশীপুরের কেষ্টোগোপালের বাগানটা নিলে ভাল হয় না ? যদি ১৫/১৬ হাজারের ভিতরে হয় তো তৎক্ষণাৎ কিনিবে’। তিনি চিঠির খামের ওপর লিখেছিলেন : ‘কাশীপুরে বিশেষ চেষ্টা দেখ। ..বেলুড়ের জমি ছেড়ে দাও’। পানিহাটিতে গোবিন্দ চৌধুরীর বাগানবাড়িও দেখা হয়েছিল। ‘কামারহাটিতে একটি বাগানবাড়ি ও কোন্নগরে একখণ্ড জমির সন্ধান পওয়া গিয়েছিল। আলমবাজার মঠ থেকে সাধুব্রহ্মচারিগন ২ সেপ্টেম্বর ১৮৯৭ তারিখে কোন্নগরে জমি দেখতে যান। দক্ষিণেশ্বরেও একখণ্ড জমির জন্য চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ত্রৈলোক্যনাথ বিশ্বাসের আরোপিত শর্তগুলি মঠ কর্তৃপক্ষের নিকট গ্রহনযোগ্য হয়নি। ইতোমধ্যে বেলুড়ে জমির জন্য প্রয়োজনীয় ৩৯০০০ টাকা হেনরিয়েটা মূলার দান করতে রাজি হন। ছোট দুটো বাড়ি সমেত বাইশ বিঘা জমি কেনা হয় পাটনানিবাসী ভগবৎ নারায়ন সিং-এর কাছ থেকে। সেদিনটি ছিল ৪ মার্চ ১৮৯৮। এই জমির একাংশ ব্যবহৃত হতো নৌকা মেরামতের জন্য। অসমতল জমিখণ্ডকে সমতল করবার জন্য এবং বাসোপযোগী বাড়িঘর নির্মাণের তদারকির জন্য নীলাম্বর মুখার্জীর বাগানবাড়িতে মঠ অস্থায়ীভাবে স্থানান্তরে সিদ্ধান্ত খুবই বাস্তবোচিত হয়েছিল।
 

নীলাম্বর মুখার্জীর বাগানবাড়ির খোলামেলা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে স্বামী বিবেকানন্দ খুবই খুশি হয়েছিলেন। তিনি ১১মার্চ ১৮৯৮ তারিখে ক্রিস্টিন গ্রীনস্টাডেলকে সানন্দে লিখেছিলেন : ‘We have changed our Math from the old nasty house to a house on the bank of the Ganga. This is much more healthy and beautiful.’ নতুন স্থানে রামকৃষ্ণ মঠ অল্প সময়ের মধ্যে জমজমাট হয়ে উঠেছিল। মঠ সংগঠনের ইতিহাসে শুরু হয়েছিল নতুন একটি অধ্যায়।
 
 
 
 
 
Gobinda Home
 
 
Home | Emergency | Tender | Services | Train Time Table | Contact Us