Home
Contact
 
 
 
 
 
 
Home » About Us » পানিহাটি পৌরসভার বিভিন্ন দিক
 
     
 
 
 
পানিহাটি পৌরসভার বিভিন্ন দিক
 
‘পৌরাঞ্চলের ক্রমবর্ধমান জন সংখ্যা ও নাগরিকজীবন’
 
যাতায়াত ও পরিবহনের সুযোগের জন্য পানিহাটির এই অঞ্চলে বিভিন্ন কলকারখানা তৈরী হতে শুরু হয়েছিল। এই অঞ্চলের বিভিন্ন  কলকারখানার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কলকারখানাটি হল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় প্রতিষ্ঠিত বেঙ্গল কেমিক্যাল, বি-এন ইলিয়াসদের NTC (সিগারেট তৈরী কারখানা), এছাড়া আরোও অনেক কলকারখানা এই অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু যা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তা হলো কাপড়ের কল, পশ্চিমবঙ্গে কোন পৌরএলাকায় এত কাপড়ের কল ও হ্যাণ্ডলুম দেখা যায়নি-যথা ‘বাসন্তি কটন মিল’। এর নামকরন করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। একসময় এইসব কাপড়ের উৎপাদনের জন্যই পানিহাটী খ্যাতি লাভ করেছিল। তার সঙ্গে আরও বহু ছোট বড় কারখানা তৈরী হওয়ায় চাকুরীর খোঁজে পাশের রাজ্য থেকে লোক এসে জড়ো হয়েছিল। জন সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে পানিহাটি পৌরসভা বিভিন্ন দিকের সামাধান করেছে-
 
পানীয় জল
 
জলের অপর নাম জীবন, তাই জীবন ধারনে পানীয় জল অপরিহার্য্য। পানিহাটী পৌরসভাও প্রথমে পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহন করে। পূর্বে যে সামান্য কয়েকটি হ্যাণ্ড টিউবওয়েল ছিল তার সংখ্যা পানিহাটী পৌরসভা ক্রমে বৃদ্ধি করেছে। বৃদ্ধি ঘটে ডীপ টিউবয়েলের সংখ্যাও। বিপুল পরিমাণ মানুষের চাহিদা মেটাতে, ডীপ টিউবয়েলের ও হ্যাণ্ড টিউবওয়েলের সাথে যাতে সম্পূর্ন প্রয়োজন মেটানো যায় তার জন্য CMDAতে দরবার করা হয়। CMDAও অবস্থা বুঝে ১৯৮২ সালে কামারহাটী ও বরাহনগর, নর্থ দমদম, পানিহাটিও খড়দার পানীয় জলের প্রয়োজন মেটাতে ১৪ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছিলেন। কাজটা এখনও পুরোপুরি হয়নি। কিন্তু ইতিমধ্যেই আমাদের পৌরঅঞ্চল জলের চাহিদা মেটাবার সুযোগ কিছুটা পেয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কিছুটা এই ব্যবস্থার সুরাহা করা যাবে।
 
রাস্তা ঘাট
 
পানিহাটির পৌরাঞ্চলের দুর্ভাগ্য এর নিজের যেমন রামচন্দ্রপুরে একটি ভাগার আছে, এই পৌরাঞ্চলের মধ্যেই ছিল খড়দহ পৌরসভার ভাগার। আবার দক্ষিণে আগড়পাড়া সাউথ ষ্টেশন রোড এলাকায় পৌরসভার গা ঘেষে কামারহাটি পৌরসভার ভাগার। খড়দহ পৌরসভার ভাগার উঠে গেছে, ঐ স্থানে CMDA পরিকল্পনা করে সমস্ত পৌরসভায় খাটা পায়খানার অবসান ঘটিয়ে স্যানিটারি পায়খানা করার জন্য পুরবাসীকে সহযোগিতা করেছেন। এইসব অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অবসান ঘটাতে S.W.M.স্কীম পাশ হয়। এরজন্য মহীশপোতায় ৩০ বিঘা জমি কেনা হয়। ঐ S.W.M. পরিকল্পনা CMDA মঞ্জুর করে। সঙ্গে ছিল ‘গঙ্গা একশান প্ল্যান’। এই প্ল্যানের পরিকল্পনা ছিল স্যানিটারি পায়খানার দূষিত জলের সংযোগ করে দেওয়া হবে ঐসব বড় ড্রেনের সাথে। সেই ড্রেনের জল চলে যাবে মহীশপোতায়। কোন অঞ্জাত কারণে এই স্কীম মঞ্জুর হওয়া সত্বেও প্রচেষ্টার অভাবে কাজ শুরু হয়েও তা বন্ধ হয়ে আছে।
 
জনস্বাস্থ্য
 
১৯৭২ সালের পুর্বে পর্যন্ত পানিহাটি এলাকায় কোন হাসপাতাল ছিল না। অসুখ হলে কামারহাটীর ‘সাগরদত্ত হাসপাতালে’ বা কলকাতায় যেতে হতো। পানিহাটিতে ছিল একমাত্র ‘পার্বতীচরণ দাতব্য চিকিৎসালয়’। যা আজ পৌরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ কর্তৃক পরিচালিত। ১৯৬৯ সালে একটি মাতৃসদন গঠনের উদ্যোগ গ্রহন করা হয় এবং ১৯৭২-৭৬ সালে বিধায়ক শ্রী তপন চট্টোপাধ্যায়ের তদারকিতে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতাল’।
 
পরবর্তী পৃষ্ঠা
 
 
About Us
Town Features
Historical Statistics
পৌরসভার বিভিন্ন দিক
 
 
Panihati Municipality
 
 
 
Panihati
 
 
 
Mohotsavtala Ghat
 
 
Home | Emergency | Tender | Services | Train Time Table | Contact Us